পোস্টগুলি

10 টি বিখ্যাত লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি আর্টওয়ার্কস

ছবি
মহান শিল্পী। লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি (লিওনার্দো দে সের পিরিও দ্য ভ্যানি) একজন ইতালীয় রেনেসাঁ পলিমাথ, চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতি, সংগীতশিল্পী, বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, অ্যান্টোনিস্ট, ভূতত্ত্ববিদ, ম্যাগাজিনর, উদ্ভিদবিদ এবং লেখক। তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবতার একজন। লিওনার্দো ফ্লোরেন্স কাছাকাছি Tuscany, ছোট শহরে ভ্যানি মধ্যে জন্মগ্রহণ করেন।1469 খ্রিস্টাব্দে তিনি একটি শিল্পী হিসেবে শুরু করেন, আমি আপনার জন্য 10 টি বিখ্যাত লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি আর্টওয়ার্কস নির্বাচন করেছি।                                         10 – Portrait of Ginevra de’ Benci (1474-1476) "Portrait of Ginevra de" এখন "National Gallery of Art" মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, ডি.সি তে আছে।  এবং বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লিওনার্দোর একমাত্র চিত্র সংগ্র এখানে পাওয়া যায় ।                                   ...

নিলামে উঠছে লিওনার্দো দা ভিঞ্চির আঁকা "সালভাতোর মুনদি"

ছবি
নিলামে উঠছে লিওনার্দো দা ভিঞ্চির আঁকা "সালভাতোর মুনদি" ইতিহাস এবং ধর্মের সর্বশ্রেষ্ঠ পরিসংখ্যানের এটি একটি প্রতিকৃতি। যিশু খ্রিস্টের একটি 500 বছরের পুরনো প্রতিকৃতি যা মূলত ফরাসি রাজ পরিবারের  জন্য আঁকা হয়েছিল এবং এটি নিউ ইয়র্কে  15 নভেম্বর নিলামে বিক্রি  করা হয় । 1763 থেকে 1900 সাল পর্যন্ত হারিয়ে গেছিলো  'সালভাদর মুণ্ডি' 1958 সালে মাত্র 45 পাউন্ডে নিলামে বিক্রি হয়েছিল। দ্য ভিঞ্চির মাত্র ২0 টি বিখ্যাত চিত্রকর্মগুলির মধ্যে একটি একটি ।সালভাদর মুন্ডি  চিত্রশিল্পীদের কাছে  সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রতিকৃতি।মোনা লিসা এবং সালভাদর মুন্ডি প্রতিকৃতিতে একই রকম বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়  একই সময়ের  চিত্রিত হয়েছিল  এই জনপ্রিয় দুটি প্রতিকৃতি। মূলত 1500 এর কাছাকাছি ফরাসি রাজপরিবারের জন্য আঁকা প্রতিকৃতিটি 1763 থেকে 1 9 00 পর্যন্ত হারিয়ে যায় বলে মনে করা হয়। এটি 1958 সালে মাত্র 45 পাউন্ডের নিলামে বিক্রি করা হয়েছিল, যার পরে ২005 সাল পর্যন্ত এটি অদৃশ্য হয়ে যায়,এখন  এটি একটি আমেরিকান সম্পত্তি,সালভেটর মুডি হল প্রাচীন মাস্টার পেইন্টিংয়ের পব...

মোবাইল গেম আপনাকে অন্ধ করতে পারে

ছবি
সতর্ক থাকুন দীর্ঘমেয়াদী স্মার্টফোনে গেমিংয়ের সময় আপনি  অন্ধ হয়ে যেতে  পারেন। 1 অক্টোবর চিনের এক মহিলা  উও জিয়াওজিং (তার আসল নাম নয়) টানা ২৪ ঘন্টা "আনর অব কিংগস"  খেলে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। 1  অক্টোবরের   তিনি অনলাইনে  মাল্টি প্লেয়ারে গেমটি  খেলছিলেন ।গেমটি খেলতে খেলতে প্রথমে  ডান চোখের  দৃষ্টি হারাতে শুরুকরে  দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে পরে পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে যায়।  তিনি বলেন, "আমি এই খেলাটিতে এতটাই মগ্ন থাকতাম  যে আমি খেতে বা বাথরুমে যেতে  ভুলে যেতাম "।কিং অফ অনার চীনের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল গেমগুলির মধ্যে অন্যতম, ডাক্তাররা বলেন চোখ ক্লান্ত হয়ে পড়ায় এমনটি হয়েছে । আপনারও সাবধান হউন , মোবাইল আমাদের একটি গ্যাজেট মাত্র। এটি জীবনের সবকিছু নয়। আপনার বাচ্চার প্রতিও নজর রাখুন সে কতক্ষন মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করছে।

Biological clocks

ছবি
২০১৭ সালের শরীর বিদ্যায় নোবেল পুরুস্কার পেলেন ৩ মার্কিন বিজ্ঞানী জেফ্রি হল , মাইকেল রাসব্যাশ ,মাইকেল ইয়াং। সার্কাডিয়ান রিদম বা বডি ক্লক নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা ও অনুসন্ধানের সিকৃতির জন্য নোবেল পেলেন এই তিন বিজ্ঞানী। দিন বা রাতে প্রাণীর দেহে যে পরিবর্তন আসে বা প্রতিক্রিয়া দেখা যায় তা আসলে শরীরের অভ্যান্তরিন পক্রিয়া।                         ওই তিন জনের গবেষণায় পাওয়া গেছে "পিরিয়ড" জিনের কারণেই রাত বা দিনে শরিরে   বিভিন্ন পরিবতন আসে। "পিরিয়ড " জিন  সূর্যালোকের অনুপস্থিতিতে শরীরের কোষে বিশেষ প্রোটিন তৈরি করে।  দিনের শুরু থেকে তা ভাঙতে থাকে। এটাই দেহ ঘড়ির কর্ম পদ্ধতি। কিন্তু হটাৎ করে যদি পারিপার্শিক পরিবেশ বা পরিস্থিতি বদলে যায় তখন শরীরের টাইম জন বদলানয় জটিলতা আসে। যা থেকে  আসে শরীর খারাপ আদতে ওই ঘড়ি বিগড়ে যাওয়ার কারণে। 

ফ্রিডা (পুলিশের কুকুর )ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করছে মানুষকে (video)

ছবি
মেক্সিকো সেনার ক্যানি ইউনিটের (কুকুর বিভাগ) সদস্য ফ্রিডা। পাঁচ বছরের চাকরি জীবনে বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ৫২ জনকে উদ্ধার করেছে । মঙ্গলবার মেক্সিকো ভূমিকম্পে ভারী ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। ভূমিকম্পের পরথেকে উদ্ধারকারীদের সঙ্গে পা মিলিয়ে এক নাগাড়ে উদ্ধারের কাজ করে চলেছে ফ্রিডা। সামনের দু পায়ে বুট , পরণে জ্যাকেট , চোখে গগলস। সতর্ক নজর, কোথাওকি নড়ে উঠল মাটি ?   ভেঙে পড়া ইস্তুপের মধ্যে নাক ঢুকিয়ে এক মনে - প্রাণের খোঁজ করেচলেছে ফ্রিডা। মেক্সিকোয় মঙ্গলবারের ভূমিকম্পের পর উঁদ্ধারকাজে  যোগ দিয়েছে সেনার ১৫টি কুকুর। সেই দলের সেলিব্রেটি ফ্রিডা। মেক্সিকো সিটির এনরিক রেবসামেন প্রাথমিক স্কুলে ফ্রিডা উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। প্রশিক্ষক আরাউজ সালিনাস জানিয়েছেন ,বুধবার স্কুলে ঢুকে বেশ কিছুক্ষন খোজাখুজির পর ক্লান্ত হয়ে পরে সে। তবে জল খেয়ে আর সামান্য বিশ্রাম করে কেটে যায় ক্লান্তি। গত কাল ফের প্রাণের সন্ধানে দুই সহকর্মী এভিল ও ইকোর সঙ্গে স্কুলের একটি ভাঙা ঘরে উদ্ধারকার্য শুরু করে। কোনও দেহে প্রাণের সাড়া পেলে এক সঙ্গে চিৎকার শুরু করে তারা। আর দেহটি প্রাণহীন টের পেলে চুপ করে যায় তারা। ধ্বংসস্তূপের গভী...

চালাকির দ্বারা রোগা হওয়া অসম্ভব

ছবি
পূজর নতুন কাপড়ে   নির্মেদ ,সুঠাম বা তথাকথিত "সেক্সী" নিজেকে কেনা দেখতে চায়। যারা কাজের চাপে সারা বছর সময় পায়না তারা উৎসবের প্রাক মুহূর্তে খোজেন ঝট -পট  মেদ ঝরাবার জাদু দণ্ডের। সারাবছর যিনি থক থকে চিজভরা বার্গারের স্বাদে মজে ছিলেন। চকলেট বা কেক দেখলে যার ভেতরের বাচ্চাটা জেগে উঠত , সে পুজোয় কেনা নতুন স্লিভলেজ ড্রেস পড়তে গিয়ে আবিষ্কার করে অবিশ্বাস্য পেল্লায় হাত আর ভুড়িটাকে। তখনি চট জলদি প্রতিকারের আশায় প্রাণ হাঁক পাক করে। পুজোর আগেই রাতারাতি ফল পাওয়ার জন্য অনেকেই ভিড়করে "ফিটনেস সেন্টারে ", জিমে ,ডায়েটিশিয়ানের চেম্বারে। এটা  অনেকটা সারা বছর ফাঁকি মেরে পরীক্ষার আগের দিন পড়তে বসার মতন। বান্ধবীর পাশে নিজেকে মান্নানসই করতে বা শর্ট ড্রেসে নিজে আকর্ষক দেখার লোভ সকলের আছে। ওজন কমিয়ে শরীরটা সুঠাম করে তোলার মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা আছে।      কিন্তু পুজর জন্য চট জলদি রোগা হওয়ার উচ্চাকাঙ্খায় অনেকেই বিপদে পড়েন। কাগজের বিজ্ঞাপন দেখে বিপুল অর্থ খরচের চক্করে পড়েন।কেউ কেউ আবার ফ্যাট বার্নার পিল বা অসুধ খেতে শুরু করেন। আবার অনেকেই পুজর ঠিক আগেই নেট ঘেঁটে শুদু স্যালাড খেয়...

এভারেস্টের বর্তমান উচ্চতা মাপবে নেপাল (video)

ছবি
নেপাল ও চিনের সীমান্ত বরাবর বিস্তৃত এভারেস্ট পর্বত। নেপালে পৃথিবীর এই শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপাধারী এভারেস্ট ও ১৪টি আট হাজারি শৃঙ্গ রয়েছে। যদিও  নেপাল কখনো মেপে দেখেনি এভারেস্টের উঁচু শিখরকে। ১৯৫৪ সালে ভারতের নির্ধারিত মাপ ৮৮৪৮ মিটারকে মান্নতা দিয়ে এসেছে তারা। এভারেস্টের উচ্চতা নিয়ে যখন বিতর্ক শুরু হয়েছে, নেপাল এবার নিজেই  মাপজোক করতে চলেছে দ্যা গ্রেট এভারেস্টের। ২০০৫ সালে চিনের দাবি এভারেস্টের উচ্চতা ৮৮৪৪ মিটার। ১৯৯৯ সালে "  ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি " ও "বস্টন মিউজিয়াম অব সায়েন্স " কৃতিম উপগ্রহের দ্বারা বিশেষ প্রযুক্তিতে মেপে দেখেছিল এভারেস্টের উচ্চতা ৮৮৫০মিটার। ২০১৫ সালের ৭.৮ তীব্রতার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর থেকে আবার বিতর্ক শুরু হয় এভারেস্টের উচ্চতা নিয়ে।অনেকেই দাবি করেন এভারেস্টের উচ্চতা আর আগের মতন নেয়।,তা কিছুটা কমেছে। বিখ্যাত "হিলারি স্টেপ"ও আর নেই। ভূমি কম্পে ধসে গেছে এভারেস্টের ওই বিখ্যাত চূড়াটি। বদলে গেছে এভারেস্টের পুরাতন চেহারা। এসবের উত্তর খুঁজতে সমীক্ষা করবে নেপাল নিজেই। এবার নেপাল নিজেই মাপবে এভারেস্টকে। নেপালের সমীক্ষা দফতরের ডিরেক্ট...