পোস্টগুলি

পৃথিবী ক্রমাগত ছোট হয়ে যাচ্ছে

ছবি
ব্রিটিশ পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং হুঁশিয়ারি দিয়ে ছিলেন পৃথিবীর বাইরে খুব তাড়াতাড়ি বিকল্প উপনিবেশ গড়তে না পারলে ধ্বংস হয়ে যাবে মানুষ। একাধিকবার তিনি বিজ্ঞানীদের হুশিয়ার করেছেন। কৃতিম যন্তের বুদ্ধি বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে তিনি ধ্বংসের দূত হিসাবে চিহ্নিত করেছেন।         আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এ আই ) ক্ষেত্রে আমরা দ্রুত অনন্তি করছি। বর্তমানে পরিবেশ ও পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে কম্পিউটার সিদ্ধান্ত নিতে ও কাজ করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি এই বিকাশের বিরধিতা করেননা। তিনি মনে করেন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর লাভ অনেক আমাদের ভাবনা চিন্তাকে এ এই দিয়ে বহু গুন্ বাড়িয়ে তুলতে পারলে কল্পনা করা যায়না কোথায় পৌঁছে যাব আমরা। ইটা হবে মানুষের সেরা উদ্ভাবন নয়ত খারাপ। কিন্তু  হকিং এটার খারাপ দিকটা নিয়ে চিন্তিত। তার ধারণা  যেভাবে কম্পিউটারে ভাইরাস ঢুকিয়ে দেওয়া হয় কব্জা করা হয় অন্নের কম্পিউটারকে সে ভাবেই একদিন টেকনলজি এতো উন্নত হয়ে যাবে যে যন্ত্রই হয়ত তৈরী করবে নিজের প্রতিরূপ।যন্ত্রের দাপট  মানুষের পক্ষে মোটেই ভাল হবেনা। হকিং চিন্তিত মানুষের পক্ষে পৃথিবী ক্রমাগত ছোট হয়ে যাচ...

"ছোটি সি আশা " যাচ্ছে চাঁদে

ছবি
২০১৩ সালে মঙ্গলের কক্ষপথে ঢুকেপড়ে রেকর্ড গড়েছিল ভারত। ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বরের সেই ঐতিহাসিক পারির পর এবার নতুন রেকর্ড গড়তে চলেছে ভারত। "ইসরো" ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার খবর অনুযায়ী এই প্রথম কোনও বেসরকারি অভিযান হতে চলেছে চাঁদে। মাত্র দুটি ক্যামেরা ,ব্যাটারি এবং টেলি যোগাযোগের যন্ত্র নিয়ে দেশলায়ের বাক্সর  মতন চেহারার খুদে রোবট "ছোটি সি আশা " . "টিম ইন্ডাস "চাঁদের মাটিতে নামবে রোভার "ছোটি সি আশা "কে। চাঁদের মাটিতে ৫০০ মিটার চলবে সে ,আর চাঁদের ছবি তুলে পাঠাবে পৃথিবীতে সেই তথ্য চলে আসবে টিম ইন্ডাসের কাছে। "গুগল" এর আয়জিত চাঁদ অভিযানে জিতেছিল টিম ইন্ডাস। সংস্থার খবর অনুযায়ী আগামী ডিসেম্বর থেকে মার্চ এর মধ্যে পাঠান হবে "ছোটি সি আশা "কে চাঁদে। শ্রীহরিকোটার সতীশ ধবন মহাকাশ কেন্দ্র থেকে পারি  দেবে।  "ছোটি সি আশা " আসাকে চাঁদে  পৌঁছাতে আনুমানিক ১০ দিন লাগবে। এখন বেঙ্গালুরুতে চূড়ান্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে তার। এই অভিযান সার্থক হলে আর্যভট্ট - বরাহমিহিরের দেশের মুকুটে যুক্ত হবে মহাকাশ বিজ্ঞের আরো একটি পালক।

এইচআইভি পাত্র পাত্রী চাই

ছবি
 এ যেন এক যুগান্ত করি ঘটনা। যে দেশে এইডসের নামে পিটিয়ে মারার ঘটনা কম নয় ,এইচআইভির নামে গ্রাম ছাড়া কত লোক।  সেই দেশে সমহিমায় খুলছে  এইচআইভি আক্রান্তদের জন্য বিয়ের ওয়েব সাইট। এতদিন যারা তাদের দুরারোগ্য রোগ লুকিয়ে রাখত  তারাই সেচ্চায় নিজের সকল তথ্য দিয়ে পোস্ট করছে বিয়ের জন্য।  এই সাইটের মাধ্যমে প্রতি বছর বিয়ে করছেন  প্রায় ২০০ জনের বেশি এইচআইভি পাত্র পাত্রী।          সুদু এইচআইভিদের জন্য রয়েছে ৪ থেকে ৫ টি অনলাইন সাইট। এছাড়াও ওই সাইট গুলিতে " স্পেশাল কেস " নাম একটি বিভাগ আছে , যেকানে এইচআইভি ছারাও থ্যালাসেমিয়া ,ক্যান্সার আক্রান্তদের বিয়ের সুজগ করে দেওয়া হোচ্ছে।           সমাজকর্মীদের মতে এইচআইভি নিয়ে মানুষের মধ্যে ছুঁয়োনা ছুঁয়োনা ভাব দূর করতে এর থেকে ভালো উপায় হয়না। আর এই সাইট গুলিকে দেখে বোঝাইযায় মানুষের সামাজিক ভাবনায় কতটা বদল এসেছে। যারা এতদিন এইচআইভি রোগ আছে জেনে বিয়ে করতে পারতেননা  তাদের জন্য এটি একটি জাদু কাঠি। ছেলেমেয়েরা নিজেরাই খুঁজেনিচ্ছে জীবন সঙ্গী-সঙ্গিনীকে।         ...

10 টি বিখ্যাত লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি আর্টওয়ার্কস

ছবি
মহান শিল্পী। লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি (লিওনার্দো দে সের পিরিও দ্য ভ্যানি) একজন ইতালীয় রেনেসাঁ পলিমাথ, চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতি, সংগীতশিল্পী, বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, অ্যান্টোনিস্ট, ভূতত্ত্ববিদ, ম্যাগাজিনর, উদ্ভিদবিদ এবং লেখক। তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবতার একজন। লিওনার্দো ফ্লোরেন্স কাছাকাছি Tuscany, ছোট শহরে ভ্যানি মধ্যে জন্মগ্রহণ করেন।1469 খ্রিস্টাব্দে তিনি একটি শিল্পী হিসেবে শুরু করেন, আমি আপনার জন্য 10 টি বিখ্যাত লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি আর্টওয়ার্কস নির্বাচন করেছি।                                         10 – Portrait of Ginevra de’ Benci (1474-1476) "Portrait of Ginevra de" এখন "National Gallery of Art" মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, ডি.সি তে আছে।  এবং বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লিওনার্দোর একমাত্র চিত্র সংগ্র এখানে পাওয়া যায় ।                                   ...

নিলামে উঠছে লিওনার্দো দা ভিঞ্চির আঁকা "সালভাতোর মুনদি"

ছবি
নিলামে উঠছে লিওনার্দো দা ভিঞ্চির আঁকা "সালভাতোর মুনদি" ইতিহাস এবং ধর্মের সর্বশ্রেষ্ঠ পরিসংখ্যানের এটি একটি প্রতিকৃতি। যিশু খ্রিস্টের একটি 500 বছরের পুরনো প্রতিকৃতি যা মূলত ফরাসি রাজ পরিবারের  জন্য আঁকা হয়েছিল এবং এটি নিউ ইয়র্কে  15 নভেম্বর নিলামে বিক্রি  করা হয় । 1763 থেকে 1900 সাল পর্যন্ত হারিয়ে গেছিলো  'সালভাদর মুণ্ডি' 1958 সালে মাত্র 45 পাউন্ডে নিলামে বিক্রি হয়েছিল। দ্য ভিঞ্চির মাত্র ২0 টি বিখ্যাত চিত্রকর্মগুলির মধ্যে একটি একটি ।সালভাদর মুন্ডি  চিত্রশিল্পীদের কাছে  সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রতিকৃতি।মোনা লিসা এবং সালভাদর মুন্ডি প্রতিকৃতিতে একই রকম বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়  একই সময়ের  চিত্রিত হয়েছিল  এই জনপ্রিয় দুটি প্রতিকৃতি। মূলত 1500 এর কাছাকাছি ফরাসি রাজপরিবারের জন্য আঁকা প্রতিকৃতিটি 1763 থেকে 1 9 00 পর্যন্ত হারিয়ে যায় বলে মনে করা হয়। এটি 1958 সালে মাত্র 45 পাউন্ডের নিলামে বিক্রি করা হয়েছিল, যার পরে ২005 সাল পর্যন্ত এটি অদৃশ্য হয়ে যায়,এখন  এটি একটি আমেরিকান সম্পত্তি,সালভেটর মুডি হল প্রাচীন মাস্টার পেইন্টিংয়ের পব...

মোবাইল গেম আপনাকে অন্ধ করতে পারে

ছবি
সতর্ক থাকুন দীর্ঘমেয়াদী স্মার্টফোনে গেমিংয়ের সময় আপনি  অন্ধ হয়ে যেতে  পারেন। 1 অক্টোবর চিনের এক মহিলা  উও জিয়াওজিং (তার আসল নাম নয়) টানা ২৪ ঘন্টা "আনর অব কিংগস"  খেলে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। 1  অক্টোবরের   তিনি অনলাইনে  মাল্টি প্লেয়ারে গেমটি  খেলছিলেন ।গেমটি খেলতে খেলতে প্রথমে  ডান চোখের  দৃষ্টি হারাতে শুরুকরে  দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে পরে পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে যায়।  তিনি বলেন, "আমি এই খেলাটিতে এতটাই মগ্ন থাকতাম  যে আমি খেতে বা বাথরুমে যেতে  ভুলে যেতাম "।কিং অফ অনার চীনের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল গেমগুলির মধ্যে অন্যতম, ডাক্তাররা বলেন চোখ ক্লান্ত হয়ে পড়ায় এমনটি হয়েছে । আপনারও সাবধান হউন , মোবাইল আমাদের একটি গ্যাজেট মাত্র। এটি জীবনের সবকিছু নয়। আপনার বাচ্চার প্রতিও নজর রাখুন সে কতক্ষন মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করছে।

Biological clocks

ছবি
২০১৭ সালের শরীর বিদ্যায় নোবেল পুরুস্কার পেলেন ৩ মার্কিন বিজ্ঞানী জেফ্রি হল , মাইকেল রাসব্যাশ ,মাইকেল ইয়াং। সার্কাডিয়ান রিদম বা বডি ক্লক নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা ও অনুসন্ধানের সিকৃতির জন্য নোবেল পেলেন এই তিন বিজ্ঞানী। দিন বা রাতে প্রাণীর দেহে যে পরিবর্তন আসে বা প্রতিক্রিয়া দেখা যায় তা আসলে শরীরের অভ্যান্তরিন পক্রিয়া।                         ওই তিন জনের গবেষণায় পাওয়া গেছে "পিরিয়ড" জিনের কারণেই রাত বা দিনে শরিরে   বিভিন্ন পরিবতন আসে। "পিরিয়ড " জিন  সূর্যালোকের অনুপস্থিতিতে শরীরের কোষে বিশেষ প্রোটিন তৈরি করে।  দিনের শুরু থেকে তা ভাঙতে থাকে। এটাই দেহ ঘড়ির কর্ম পদ্ধতি। কিন্তু হটাৎ করে যদি পারিপার্শিক পরিবেশ বা পরিস্থিতি বদলে যায় তখন শরীরের টাইম জন বদলানয় জটিলতা আসে। যা থেকে  আসে শরীর খারাপ আদতে ওই ঘড়ি বিগড়ে যাওয়ার কারণে।