৫টি আবিষ্কার যা ভারত করেছে

          




ভারত আদি যুগ থেকেই বিজ্ঞান আর সভ্যতার গুরু। মহাভারত  আর রামায়নের মতন ধর্ম গ্রন্থ আধুনিক বিজ্ঞান ,ধর্ম,সভ্যাতাকে নিজের মধ্যে আজও বহন করে চলেছে।আমাদের ঋষি মনিঋষিরা এমন এমন খোঁজ আমাদের দিয়েছে যার ওপর দাঁড়িয়ে আধুনিক বিজ্ঞান।এটা দুঃখের ব্যাপার যে আজ প্রাচত্বের দেশ মনে করে যে আধুনি বিজ্ঞানের বহু আবিষ্কার তারই করেছে।ভারতের বহু আবিষ্কার আজ আমরা  ভুলে গেছি  আর বহু আবিষ্কারের পেটেন্ড  এইংরেজরা  নিজেদের নামে করেনিয়েছে। আজ আমরা এমন ৫টি আবিষ্কারের ব্যাপারে জানবো যার খোঁজ বা জন্ম ভারতে হয়েছে।


(১) বোতাম
সাধারণভাবে ভাবলে বোতাম একটি সাধারণ জিনিস , কিন্তু এর প্রয়াজন কতটা তা আমরা জানি ,জামার বোতামের ব্যবহার প্রথমে ভারতেই শুরু হয়েছিল। এই বোতামের প্রমান আমরা প্রথম মহেঞ্জোদারো খোঁদাই  থেকে পাই। এই খোদাই এর সময় এমন অনেক কাপড় পাওয়া যায় যাতে বোতাম লাগানো ছিল। মহেঞ্জোদারো সভ্যতা আজ থেকে প্রায় ২৫০০ সাল  থেকে ৩০০০ সাল  পুরোনো যা সিন্ধু নদীর কিনারায় ছিল। তার মানে আজ থেকে ২৫০০ সাল  আগে বোতামের ব্যবহার ভারতে করাহতো।

(২) চাকা
মহাভারতের যুদ্ধে রথের ব্যবহার উল্লখে আছে  আর চাকা ছাড়া রথ চলতেই পারেনা।এর থেকে বোঝা যায় চাকার ব্যবহার ভারতে ৫০০০ থেকে ১০০০০ বছর আগেই হয়েছিল। চাকার আবিষ্কার  মানব সভ্যতার গতি বাড়িয়ে দিয়েছে আর এই গতি থেকে এসেছে পরিবর্তন। চাকার আবিষ্কারারের কৃতিত্ব এখন ইরাকে দেওয়া হয়। মহাভারত ছাড়াও ২০০০ থেকে ৩০০০ বছর আগে পৃথিবীর সবথেকে পুরোনো সভ্যতা সিন্দু ঘাঁটির ধ্বংস অবশেষ থেকে পাওয়া যায় বিভিন্ন খেলনা যেখানে সুন্দর ভাবে চাকার ব্যবহার করা হয়েছে, যা আজও ভারতের রাষ্ট্রীয় সংগ্রশালায় রাখা আছে। যা প্রমান করেদেয় যে চাকার ব্যবহার ইরাকে না ভারতেই প্রথম হয়।

(৩) সল্ল চিকিৎসা
সল্ল চিকিৎসা আর পেলাস্টিক সার্জারির প্রমান  ভারতেই পাওয়া যায়। পেলাস্টিক সার্জারি চিকিৎসা বিজ্ঞানের বড় দান। পচ্ছিমের বিজ্ঞানীদের মোতে পেলাস্টিক সার্জারি আধুনিক বিজ্ঞানের দেন।  ঋষি Shushruta কে ভারতের প্রথম চিকিৎসক হিসাবে মনেহয়।১০০০ ঈসা  পূর্বেই Shushruta কৃতিম অঙ্গ লাগানো ,পেলাস্টিক সার্জারির মতন চিকিৎসা শুরু করেন।

(৪) অস্ত্র
 ধনুষ বান  ,ঢাল,তোলবারের মতন অস্ত্র সস্ত্র তো ছিলই ,এছাড়াও বেদ  ও পরানে আগ্নেও অস্ত্র ,ব্রহ্মহা  অস্ত্র -এর মতন মরণ অস্ত্রের উল্লেখ করা হয়েছে। আধুনিক কালের পরমাণু বোমের জনক j. robert oppenheimer গীতা আর মহাভারতের গভীর অধ্যায়ন করে ছিলেন।উনি মহাভারতে উল্লেখ করা  ব্রহ্মহা অস্ত্র এর  ক্ষমতা সম্পর্কে অধ্যায়ন করেন  আর নিজের মিশনের নাম দেন ট্রিনিটি , রবার্টের  নেতৃত্বে ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৩ এর  মধ্যে বিজ্ঞানীদের টিম এই কাজটি সম্পাদন করে। আর ১৬ জুলাই ১৯৪৩ এ প্রথম পরমাণু পরীক্ষা করা হয়। পরমাণুর সিদ্ধান্ত ও অস্ত্রের জনক হিসাবে    john dalton -কে মানাহয়। কিন্তু বেদের সূত্র অনুযায়ী ২৬০০ বছর আগে ঋষি কণাদ  পরমাণুর কথা বলেগেছে। ভারতীয় ইতিহাসে ঋষি কণাদকে পরমাণুর জনক মানাহয়।

(৫) বিমান
ইতিহাস ও ইস্কুলে পোড়ানো হয় বিমান এর আবিষ্কার রাইট ব্রাদার্স করেন।   কিন্তু এটা  ভুল এটা বলা চলে বর্তমান যুগের বিমান তারা তৈরী করেছেন। বিমানের জ্ঞান ভারতীয় ঋষিদের আগে থেকেই ছিল। ওদের ১০০০ সাল আগেই মহর্ষি ভর্তরাজ বিমান শাস্ত্র লিখে ছিলেন। যাতে বিমান বানানোর টেকনিক আর বর্ণনা আছে। তিনি যুদ্ধ বিমান সম্পর্কে ও লিখে  ছেন। রামায়নেও পুস্পক বিমানের উল্লেখ আছে।

                        ভারতের এই মহান ইতিহাস জেনে ভারতীয় হিসাবে গর্ভ করা উচিত। এখনো এমন অনেক খোঁজ বাকি আছে যা হয়তো মানব সভ্যতাকে আরো আগে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। সময় এসেছে ধর্ম গ্রন্থকে বিজ্ঞানের চোখ দিয়ে দেখার।  

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নাগাল্যান্ডে কুকুরের মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ !

বিরল সোনালী বানর

তিল